কীর্তনখোলা নদীর শহর বরিশাল জেলা সম্পর্কে বিস্তারিত!

  • ইয়াসিন প্রধান সাজিদ
  • জুলাই ২৫, ২০২০

বরিশাল জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। জেলাটি ১৭৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কীর্তনখোলা নদীর তীরে শহরটি অবস্থিত, এই শহরের পূর্বতন নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ। দেশের খাদ্যশষ্য উৎপাদনের একটি মূল উৎস এই বরিশাল জেলা। একে বাংলার 'ভেনিস' বলা হয়। বরিশাল জেলা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি নদীবন্দর।

জেলাটির আয়তন মোট ২,৭৮৪.৫২ বর্গকিমি। জেলার জনসংখ্যা মোট ২৩,২৪,৩১০ আর জনঘনত্ব ৮৩০/বর্গকিমি (২০১১ পরিসংখ্যান অনুযায়ী)।

মোট জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষ ১১,৩৭,২১০ জন এবং মহিলা ১১,৮৭,১০০ জন।

জেলাটির সাক্ষরতার হার মোট ৬১.২%।

বরিশাল জেলার উত্তরে চাঁদপুর, মাদারিপুর ও শরিয়তপুর জেলা; দক্ষিণে ঝালকাঠি, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলা; পূর্বে লক্ষ্মীপুর, ভোলা জেলা ও মেঘনা নদী এবং পশ্চিমে পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও গোপালগঞ্জ জেলা অবস্থিত।

বরিশাল জেলা ৩০ ওয়ার্ডবিশিষ্ট ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১০টি উপজেলা, ১৪টি থানা, ৬টি পৌরসভা, ৮৭টি ইউনিয়ন ও ৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

বরিচালে খুব বড় বড় শাল গাছ জন্মাতো, আর শাল গাছ থেকেই 'বরিশাল' নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করেন কেও কেও। 'আইতে শাল, যাইতে শাল / তার নাম বরিশাল' প্রবাদটি উল্লেখ্য রয়েছে ঐ এলাকাশ। আবার, কেউ কেউ দাবি করেন যে, পর্তুগীজ বেরি ও শেলির প্রেমকাহিনীর জন্য বরিশাল নামকরণ করা হয়েছে। একেক এলাকায় একেক রকম ভাবেন নামকরণের ইতিহাস।

বরিশালের উল্লেখযোগ্য কিছু দর্শনীয় স্থান হলো,

শাপলা বিল,বিবির পুকুর,ব্রজমোহন কলেজ,

বরিশাল মহাশ্মশান,বরিশাল সদর উপজেলা,বরিশাল

জীবনানন্দ দাশ এর বাড়ি(ধানসিঁড়ি)।

বরিশাল জেলার যত নদ-নদীঃ

মেঘনা, আড়িয়াল খাঁ, বিষখালী, কীর্তনখোলা, তেতুলিয়া, কালাবদর, সন্ধ্যা ইত্যাদি।

তথ্যঃ গুগল

Leave a Comment