ধানসিঁড়ি নদীর জেলা ঝালকাঠি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন 

  • ইয়াসিন প্রধান সাজিদ 
  • জুলাই ১৯, ২০২০

ঝালকাঠি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরে ১৯৭২ সালের ১ জুলাই, ঝালকাঠি থানাকে বরিশাল জেলার মহকুমায় উন্নীত করা হয়। জেলাটির আয়তন মোট ৭০৬.৭৭ বর্গকিমি এবং জনসংখ্যা মোট ৬,৮২,৬৬৯। জেলার জনঘনত্ব ৯৭০/বর্গকিমি। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ঝালকাঠি জেলার মোট জনসংখ্যা ৬,৮২,৬৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩,২৯,১৪৭ জন এবং মহিলা ৩,৫৩,৫২২ জন। মোট পরিবার ১,৫৮,১৩৯টি। আর সাক্ষরতার হার হলো মোট ৬৫.৭৪%।

এ জেলার মোট আয়তন ৭০৬.৭৭ বর্গ কিমি। ঝালকাঠির উত্তর-পূর্বে বরিশাল, দক্ষিণে বরগুনা ও বিষখালী নদী, এবং পশ্চিমে লোহাগড়া ও পিরোজপুর জেলা। ঝালকাঠি জেলাটি ৪টি উপজেলা, ৪টি থানা, ২টি পৌরসভা, ৩২টি ইউনিয়ন, ৪০০টি মৌজা, ৪৪৯টি গ্রাম ও ২টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। ঝালকাঠি জেলার প্রধান শস্য হলো ধান। আর জেলাটির প্রধান ফল হলো আম, কলা, জলপাই, কাঠাল তাল, লিচু, নারিকেল, আমড়া, পেয়ারা।

জেলার শিল্প-কারখানা হিসেবে রয়েছে বরফকল, ময়দার কল, লবন কারখানা, ধান কল, তেলের কল, বিড়ি কারখানা। কবি জীবনানন্দ দাশ এর বিখ্যাত কবিতা আবার আসিব ফিরে কবিতার ধানসিঁড়ি নদীটি এ জেলায় অবস্থিত। ঝালকাঠি জেলার উল্লেখযোগ্য কিছু নদী হলো কীর্তনখোলা নদী,খায়রাবাদ নদী,বিষখালী নদী,সুগন্ধা নদী,ধানসিঁড়ি নদী,গাবখান নদী,জাংগালিয়া নদী ও বাসন্ডা নদী। ঝালকাঠি জেলাতে মোট হাসপাতাল ২ টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৪ টি, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ২২ টি রয়েছে।  সুগন্ধা নদীর উত্তর তীরে এবং গাবখান খাল ও ধানসিঁড়ি নদীর পূর্বতীরে অবস্থিত ঝালকাঠি শহরটি প্রাচীনকাল হতেই ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত।

তথ্যঃ গুগল
লিখাঃ সাজিদ

Leave a Comment