সন্তান নেওয়ার আগে ডায়েট করা কেন জরুরী? 

  • কামরুন নাহার স্মৃতি
  • জুন ২৫, ২০২০

গর্ভধারণের পরিকল্পনা থেকেই সঠিক ডায়েট পালন করা জরুরী। অর্থাৎ যখন থেকে আপনি মা হওয়ার কথা ভাবছেন তখন থেকেই উচিত শরীরের সঠিক পুষ্টির চাহিদা বজায় রাখা। আর মায়ের নিউট্রেশনাল স্ট্যাটাসকে মেনটেন করা হচ্ছে প্রি-প্রেগনেন্সি ডায়েটের মূল কারণ।

গর্ভধারণের অন্তত ছয় মাস আগে থেকে মেয়েদের কিছু পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরী। যেমন- সিবিসি বা কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড হরমোন বা অন্যান্য হরমোন।

গর্ভাবস্থার ছয় মাস আগে থেকেই অনেককেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলিক এসিড খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফলিক এসিড বা ফলিক এসিডজনিত সমস্যা ছাড়াও অন্য বিভিন্ন গর্ভকালীন জটিলতাকে এড়াতে সাহায্য করে প্রি-প্রেগনেন্সি ডায়েট। প্রি-প্রেগনেন্সি ডায়েট পরিকল্পনায় ছয় মাস অথবা তিন মাস আগে থেকে আপনি নিয়মিত ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন। এ ছাড়া ফলিক এসিডযুক্ত বিভিন্ন খাবার যেমন- দুধ, ডিম, কমলা, শাকসবজি ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখতে হয়।

গর্ভাবস্থায় অনেকে প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। যেমন- বমি ভাব, সকাল বেলা উঠে দুর্বল বোধ করা, মাথা ঘুরানো ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। তাই গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে অনেক মা তার পর্যাপ্ত খাবার থেকে বঞ্চিত হয়। সেজন্য গর্ভধারণের আগেই যদি খাবার খাওয়ার নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলতে পারেন তবে শরীরে পুষ্টির সঠিক সংরক্ষণ হবে।

গর্ভকালীন অনেকের এসিডিটির সমস্যা হয়। সাধারণত গর্ভকালীন এই অবস্থা আরো বেড়ে যেতে পারে। তাই যখনই আপমি চিন্তা করছেন গর্ভধারণ করবেন তখন এসিডিটি নিয়ন্ত্রণের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম, দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা প্রি-প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে।

প্রেগনেন্সির পরিকল্পনা যখনই করবেন তখনই একজন চিকিৎসক এবং একজন ডায়েটেশিয়ানের পরামর্শ নিতে পারেন।

তাই সম্পূর্ণ গর্ভধারণের সময়টি যেন আনন্দদায়ক হয় এবং স্বাস্থ্যকরভাবে উপভোগ করা যায় সেই জন্য প্রি-প্রেগনেন্সি ডায়েট মেনে চলুন।

Leave a Comment